Sale!

F1 হাইব্রিড লম্বা করলা বীজের মিনি প্যাকেট

Original price was: 80.00৳ .Current price is: 50.00৳ .

F1 হাইব্রিড লম্বা করলা বীজ এর মিনি প্যাকেট (ছোট বাগানীদের জন্য)

মিনি প্যাকে বীজ সংখ্যা ৫ থেকে ৭ টি

  • বপন সময়কালঃ এলাকাভিত্তিক সারা বছর চাষ করা যায়
  •  জাতটি ভাইরাস এবং পাতায় হলদে বাদামী দাগ হয়ে ঝলসে যাওয়া রোগ (ডাউনি মিলডিউ) সহনশীল
  • মাত্র ৫০ থেকে ৫৫ দিনে ফসল সংগ্রহ করা যায়
  • করলা লম্বা ও সোজা এবং এর রঙ আকর্ষণীয় সবুজ তাই বাজারে চাহিদা বেশি
  • এই করলার ফলের কাঁটা ভোতা, শক্ত এবং চাপে ভাঙ্গে না তাই পরিবহনকালে ফলের কোনরূপ ক্ষতি হয় না
  • বাজারে প্রচলিত অন্যান্য যে কোনও লম্বা জাতের তুলনায় ২০% ফলন বেশি

আমাদের থেকে কেন পণ্য নিবেন ?

  • Done পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
  • Done সঠিক পণ্য না পেলে রিটার্ন করে দিবেন
  • Done সঠিক সময়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হোমডেলিভারি

Description

🔶ছাদবাগানে বারোমাস চাষ করুন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সবজি করলা। বিস্তারিত জানতে নিচের লেখাটি পড়ে ফেলুন।

💢করলা গ্রীষ্মকালীন সবজি হলেও, সারা বছর ধরেই এর চাষ করা যায় । শীর্ষ স্থানীয় সবজি সমুহের মধ্যে করলা অন্যতম। আকৃতি ও স্বাদের জন্য এ সবজিটিকে আমরা দুটি নামে ডাকি উচ্ছে ও করলা। অপেক্ষাকৃত ছোট, গোলাকার এবং তিতা বেশিগুলোকে বলা হয় উচ্ছে। আর একটু বেশি লম্বা ও কিছুটা কম তিতাযুক্তটাকে বলা হয় করলা। এর ঔষধিগুণ অনেক বেশি। ডায়াবেটিস, চর্মরোগের জন্য করলা একটি ভাল সবজি। অনেকে করলাকে ওষুধ হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখে। উচ্ছে ও করলা এ দেশের প্রায় সব জেলাতেই চাষ হয় ।

💢ছাদ বাগানে / শখের বাগানে করলা চাষ পদ্ধতিঃ
প্রায় সব মাটিতেই করলার চাষ করা যায়। তবে জৈব পদার্থসমৃদ্ধ দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে করলা ভালো হয়। ছাদে করলা চাষের জন্য হাফ ড্রাম ব্যবহার করা যেতে পারে। হাফ ড্রামের তলায় ৩/৪ টি ছিদ্র করতে হবে যাতে সহজেই অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশিত হয়। হাফ ড্রামের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। এবার ২ ভাগ দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ পচা গোবর, ২০-৩০ গ্রাম টিএসপি সার, ২০-৩০ গ্রাম পটাশ সার একত্রে মিশিয়ে ড্রাম ভরে ১০-১২ দিন পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিতে হবে। অতঃপর মাটি কিছুটা খুচিয়ে দিয়ে আবার ৪-৫ দিন এভাবেই রেখে দিতে হবে। যখন মাটি ঝুরঝুরে হবে তখন করলার বীজ বপন করতে হবে। করলার বীজ বপনের ২৪ ঘণ্টা আগে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। বীজ বোনার পর মাটি হাত দিয়ে সমান করে দিতে হবে এবং চেপে দিতে হবে ।

💢অন্যান্য পরিচর্যাঃ

টবের মাটি কয়েকদিন পর পর হালকা নিড়ানি দিয়ে আলগা করে দিতে হবে। যাতে করলা গাছে আগাছা জন্মাতে না পারে। সেই সাথে মাটি কিছুটা আলগা করে দিলে গাছের শিকড়ের ভালো বৃদ্ধি হয় । বাউনী বা মাচা দেয়া করলার প্রধান পরিচর্যা। তাই ভাল ফলন পেতে করলা গাছে বাউনী বা মাচার ব্যবস্থা করতে হবে। করলা ধরা শুরু করলে সরিষার খৈল পচা পানি পাতলা করে গাছে ১৫-২০ দিন অন্তর অন্তর নিয়মিত দিতে হবে।

💢করলার পোকামাকড় ও রোগবালাইঃ
🔶করলার মাছি পোকা
করলার সবচেয়ে ক্ষতিকর পোকা হলো মাছি পোকা। পূর্ণাঙ্গ মাছি পোকা করলার খোসার ভিতরে ডিম পাড়ে। ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের নরম অংশ খেয়ে ফল নষ্ট করে।
আক্রান্ত ফল দেখামাত্র তা তুলে নষ্ট করতে হবে। সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ বা বিষ টোপ ব্যবহার করে এ পোকার হাত থেকে সহজেই করলাকে রক্ষা করা যায়। সম্ভব হলে গুটি অবস্থায় করলাগুলোকে কাগজ বা পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে। এতে এ পোকা আর আক্রমণ করতে পারবে না।
করলার কাঁঠালে পোকা
পূর্ণবয়স্ক পোকা ও গ্রাব উভয়ই পাতার সবুজ অংশ খেয়ে গাছের ক্ষতি করে। আক্রান্ত পাতাগুলো বিবর্ণ জালের মতো দেখায় এবং পরবর্তীতে পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়ে ৷
এ পোকা দমনের জন্য গাছ সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে । পোকা দেখামাত্র সংগ্রহ করে মেরে ফেলতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে, প্রতি লিটার পানির সাথে ২ গ্রাম কারবারিল বা ২ মিলিলিটার ফেনিট্রোথিয়ন মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
করলার জাব পোকা
এ পোকা কচি ডগা ও পাতার রস শুষে খায়। ফলে গাছের পাতা হলুদ হয়ে মারা যায়। জৈব বালাইনাশক যেমন নিমবিসাইডিন ব্যবহার করে এ পোকা দমন করা যায়। আক্রমণ বেশি হলে এসাটাফ ০.৫ বা ইমিডাক্লোরপিড বা একতারা স্প্রে করতে হবে।

করলার পাউডারী মিলডিউ
Odium sp গণের ছত্রাকের আক্রমণে করলার এ রোগ হয়ে থাকে । পাতা ও গাছের গায়ে সাদা পাউডারের আবরণ দেখা যায়। আক্রমণ বেশি হলে পাতা নষ্ট হয়ে গাছ দূর্বল হয়ে পড়ে এবং ফুল ও ফল কম হয়। এ রোগ প্রতিকারে গাছের আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে টিল্ট ২৫০ ইসি অথবা ২ গ্রাম ৮০% সালফার স্প্রে করতে হবে।
করলার পাতার গুচ্ছ রোগ
মাইকোপ্লাজমার আক্রমণে এ রোগ হয়ে থাকে। যা জ্যাসিড পোকার মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত গাছের পাতাগুলো গুচ্ছ আকারে থাকে । গাছ বাড়ে না এবং ফুল ও ফল কমে যায়। আক্রান্ত গাছ দেখা মাত্র তুলে নষ্ট বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। বীজ সংগ্রহের সময় রোগমুক্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। ক্ষেতের আশপাশের এলাকা আগাছা মুক্ত রাখতে হবে। বাহক পোকা দমনের জন্য এসটাফ, টিডো, এডমায়ার এসবের যে কোন একটি কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া টেট্রাসাইক্লিন ছিটিয়ে এ রোগ দমন করা যায়। ছবিতে অনুমোদিত কীটনাশক পদার্থগুলোর ছবি দেয়া আছে। কোনো অবস্থাতেই স্প্রে করার ৭ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা যাবে না। স্প্রে খুব সাবধানে করতে হবে এবং শিশুদের থেকে নিরাপদে রাখতে। আমরা সাধারণত উৎসাহিত করি স্প্রে না করার জন্য। সেক্ষেত্রে আপনাদেরকে পোকা ও রোগ বালাই সহনশীল জাত বেছে নিতে হবে এবং প্রয়োজনে জৈব বালাইনাশক এবং নিমতেল বা মেহগনির বীজ তেল এবং হলুদ ও মরিচ গুড়া মিশ্রিত পানি মাঝে মাঝে স্প্রে করতে হবে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “F1 হাইব্রিড লম্বা করলা বীজের মিনি প্যাকেট”

Your email address will not be published. Required fields are marked *