থাই জাতের হাইব্রিড সিলিন্ডার লাউয়ের বীজের ৫ গ্রামের ইন্টেক প্যাকেট (বীজ সংখ্যা আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ পিস) + সাথে ১০০% অরিজিনাল বারোমাসি হাইব্রিড শিম বীজের একটি ইন্টেক প্যাকেট একদম ফ্রি!!!
Original price was: ৳ 700.৳ 395Current price is: ৳ 395.
🥒 শখের বাগান হোক কিংবা বাণিজ্যিক চাষ—এবার চাষ করুন নতুন জাত!
বাড়ির ছাদে, উঠানে কিংবা পারিবারিক বাগানে নিজের হাতে লাউ চাষ করতে চান?
অথবা বাণিজ্যিকভাবে লাউ চাষ করে ভালো ফলনের চেষ্টা করছেন?
তাহলে চাষ করে দেখতে পারেন থাই জাতের সিলিন্ডার লাউ। 💚
✨ এই জাতের বৈশিষ্ট্য:
🥒 লম্বা ও আকর্ষণীয় সিলিন্ডার আকৃতির ফল
🍃 হালকা সবুজ রঙের ফল
😋 নরম ও সুস্বাদু
⚖️ প্রতি ফলের ওজন প্রায় ১.৫–২ কেজি
🌱 ছত্রাক, ভাইরাস ও ধবসা সহনশীল
🌾 একর প্রতি ফলন ৪৫–৫০ টন
🎁 বিশেষ অফার 🎁
থাই জাতের সিলিন্ডার লাউয়ের বীজ অর্ডার করলেই—
🥬 বারোমাসি শিমের বীজ একদম ফ্রি!!! 🎉
অর্থাৎ, একসাথে লাউয়ের বীজের সঙ্গে পাচ্ছেন শিমের বীজও—আপনার পারিবারিক সবজি বাগানে আরও একটি ফসল চাষের সুযোগ। 🌱
🏡 শখের বাগানপ্রেমীদের জন্য:
নিজের বাগানে টাটকা লাউ ও শিম ফলানোর আনন্দ উপভোগ করুন।
👨🌾 কৃষকদের জন্য:
বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্যও এই জাতটি হতে পারে আপনার বাগানের নতুন সংযোজন।
🔥 অফারটি হাতছাড়া করবেন না!
আজই থাই জাতের সিলিন্ডার লাউয়ের বীজ অর্ডার করুন এবং সঙ্গে বারোমাসি শিমের বীজ ফ্রি নিয়ে নিন। 🎁🌱
আমাদের থেকে কেন পণ্য নিবেন ?
- পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
- সঠিক পণ্য না পেলে রিটার্ন করে দিবেন
- সঠিক সময়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হোমডেলিভারি
এক নজরে লাউ চাষ
উন্নত জাতঃ বারি লাউ -১, বারি লাউ -২, বারি লাউ -৩ , বারি লাউ -৪ , বি ইউ লাউ । এই জাতের লাউ গুলো সারা বছর চাষ করা যায় ।
পুষ্টিগুনঃ লাউয়ে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-সি বেশি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপযোগী লাউ এ ক্যালসিয়াম ২৬ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন সি ৪ মিলিগ্রাম রয়েছে। এছাড়াও লাউয়ের অন্যান্য পুষ্টিগুন ও রয়েছে যেমন, খনিজ পদার্থ ০.৬ গ্রাম, আঁশ ০.৬ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৬৬ কিলোক্যালরি, আমিষ ১.১ গ্রাম, লৌহ ০.৭ মিলিগ্রাম, শর্করা ১৫.১ গ্রাম।
বপনের সময়ঃ মধ্য শ্রাবণ-মধ্য কার্তিক (আগস্ট অক্টোবর) মধ্য ফাল্গুন মধ্য জ্যৈষ্ঠ (ফেব্রুয়ারি – মে)।
চাষপদ্ধতি: পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপণের পর চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ৫ X৪ ইঞ্চি আকারের ব্যাগে সমান পরিমাণ বালি, মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ ভর্তি করে ব্যাগের তলায় ২-৩ টি ছিদ্র করুন। তারপর সদ্য তোলা বীজ হলে রৌদ্রোজ্জ্বল, সহজে আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে এরকম উর্বর জমি বীজতলার জন্য বেছে নিতে হবে। প্রতি মাদায় ৩-৪ টি বীজ ১-২ ইঞ্চি গভীরে পুঁতে ঢেকে দিন।
বীজের পরিমানঃ জাত ভেদে শতক প্রতি ৪-৫ গ্রাম ।
সার ব্যবস্থাপনাঃ
| সারের নাম | সারের পরিমাণ (প্রতি শতক এর জন্য) |
| গোবর বা কম্পোস্ট | ৪০ কেজি |
| ইউরিয়া | ২ কেজি |
| টি এস পি | ১.৬ কেজি |
| এমপি | ১.২ কেজি |
| বোরণ | ১০ গ্রাম |
পিট তৈরি করার সময় সমুদয় গোবর, টিএসপি, বোরণ, অর্ধেক পটাশ এবং পাঁচ ভাগের এক ভাগ ইউরিয়া সার মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সার মেশানের ১০-১৫ দিন পর জমিতে বীজ বপন করতে হয়। অবশিষ্ট ইউরিয়া ও পটাশ সার সমান চার কিস্তিতে পুরো জীবনকালে উপরি প্রয়োগ করতে হয়।
সেচঃ লাউ ফসল পানির প্রতি খুবই সংবেদনশীল। প্রয়োজনীয় পানির অভাব হলে ফল ধারন ব্যাহত হবে এবং যেসব ফল ধরেছে সেগুলো আস্তে আস্তে ঝড়ে যাবে। লাউয়ের সমস্ত জমি ভিজিয়ে প্লাবন সেচ দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র সেচ নালায় পানি দিয়ে আটকে রাখলে গাছ পানি টেনে নিবে। প্রয়োজনে সেচ নালা হতে ছোট কোন পাত্র দিয়ে কিছু পানি গাছের গোড়ায় সেচ দেওয়া যায়। শুষ্ক মৌসুমে লাউ ফসলে ৫-৭ দিন অন্তর সেচ দেয়ার প্রয়োজন পড়ে।
আগাছাঃ সেচ ও সার দেবার পর জো আসা মাত্র আগাছা দমন করুন। চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর আগাছা দমন করতে হবে। গাছ খুব ঘন থাকলে পাতলা করে দিতে হবে। প্রতি বর্গমিটারে রবি মৌসুমে ৫০-৬০ টি এবং খরিফ মৌসুমে ৪০-৫০ টি চারা রাখা উত্তম।
আবহাওয়া ও দুর্যোগঃ অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি বের করে দিতে হবে। ঝড় বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য খুঁটির সাথে বেধে দিন ।
পোকামাকড়ঃ
- ফলের মাছি পোকা দমনে সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- রেড পামকিন বিটল/ লাল বিটল পোকা দমনে সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- জাব পোকা দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- সুড়ঙ্গকারী পোকা দমনে সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
রোগবালাইঃ
- পাউডারি মিলডিউ রোগ রোগ দমনে সালফার জাতীয় ছত্রাক নাশক (যেমন কুমুলাস ৪০ গ্রাম বা গেইভেট বা মনোভিট ২০ গ্রাম) অথবা কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন: গোল্ডাজিম ৫ মিলিটার বা এমকোজিম বা কিউবি বা কমপ্যানিয়ন ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর আক্রমণের শুরু থেকে মোট ২-৩ বার প্রয়োগ করুন। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- এনথ্রাকনোজ/ফল পচা রোগ রোগ দমনের জন্য কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন-এইমকোজিম ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে অথবা প্রোপিকোনাজল জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন টিল্ট ৫ মিলি/ ১ মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে ।
- ডাঊনি মিলডিউ রোগ দমনের জন্য ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক ( যেমনঃ রিডোমিল গোল্ড ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম মিশিয়ে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে যেতে পারে। স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সবজি বিষাক্ত থাকবে। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- পাতায় হলদে মোজাইক রোগের বাহক পোকা (জাবপোকা) দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।
সতর্কতাঃ বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ুন এবং নির্দেশাবলি মেনে চলুন । ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন। ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না। বালাইনাশক ছিটানো জমির পানি যাতে মুক্ত জলাশয়ে না মেশে তা লক্ষ্য রাখুন। বালাইনাশক প্রয়োগ করা জমির ফসল কমপক্ষে সাত থেকে ১৫ দিন পর বাজারজাত করুন। বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যাবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন। ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না।
ফলনঃ জাত ভেদে শতক প্রতি ফলন ১৪০- ১৫০ কেজি।
সংরক্ষনঃ ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করা জায়গাতে ফল ঘষা বা চাপ খায় না এমন ভাবে সংরক্ষন করুন। চটের ছালা মাটিতে বিছিয়ে ২ থেকে ৩ দিন রাখা যাবে।
ছাদ বাগানে লাউ চাষ
ছাদ বাগানে লাউ চাষের জন্য হাফ ড্রাম বা সমপরিমাণ পাত্র ব্যবহার করতে হবে। হাফ ড্রামের তলায় চার-পাঁচটি ছিদ্র করতে হবে, যাতে সহজেই অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশিত হয় ।হাফ ড্রামের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। এবার প্রতিটি হাফ ড্রামের জন্য দুই ভাগ দোআঁশ বা বেলে দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ৫০ গ্রাম টিএসপি সার, ৫০ গ্রাম পটাশ, ২৫০ গ্রাম সরিষার খৈল একত্রে মিশিয়ে ড্রাম ভরে পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিতে হবে ১০-১২ দিন।
তারপর মাটি কিছুটা খুঁচিয়ে আবার চার-পাঁচদিন এভাবেই রেখে দিতে হবে। যখন মাটি ঝুরঝুরা হবে তখন পলিব্যাগে বপন করা একটি সবল লাউয়ের চারা রোপণ করতে হবে। চারা রোপণের চারদিকের মাটি হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। গোড়ার দিকে মাটি কিছুটা বেশি দিয়ে একটু উঁচু করে দিতে হবে।
চারা রোপণের পর প্রথম দিকে পানি খুব পরিমাণে দিতে হবে। ধীরে ধীরে পানির পরিমাণ বাড়াতে হবে। লাউ গাছে প্রচুর পানি প্রয়োজন হয়। প্রতিদিনের মাছ-মাংস ধোয়া পানি মাঝে মধ্যে লাউ গাছে দিলে বিশেষ উপকার হবে।
ছাদ বাগানে টব বা ড্রামে লাগানো লাউ গাছের পানির অভাব হলে ফলন ব্যাহত হয়। টবে বা ড্রামে লাউ চাষ করতে পানি একটু বেশি প্রয়োজন হয়। নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একবার ড্রামের মাটি হালকাভাবে খুঁচিয়ে দিতে হবে। লাউ গাছটিতে যাতে পর্যাপ্ত রোদ পায় খেয়াল রাখতে হবে।
গাছের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে লাউ গাছ একটু বড় হলে গোড়া থেকে কিছুটা দূরে সামান্য ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে।
সরিষার খৈল পচা পানি পাতলা করে গাছে ১৫-২০ দিন অন্তর অন্তর নিয়মিত দিতে হবে ।
Prepared By
- M. Boni Amin
Assistant Teacher (Physical Science)
Recommended Candidate, 17th NTRCA
Bashati High School, Nandail, Mymensingh, Bangladesh
Founder
The Art of Gardening
A Proud Enterprise Under the Ma Fatiha Group.
01711766307,01722876497
[ বিকাল ৫ টা থেকে রাত ১২ টা ]










![থাই জাতের রোজেলা ফুল বীজ এর ইন্টেক প্যাকেট [ ৫০+ বীজ]](https://mafatihagroup.com/wp-content/uploads/2026/03/5-10-800x1000.webp)





Reviews
There are no reviews yet.