Sale!

১০০% অরিজিনাল উচ্চফলনশীল বারোমাসি শিম বীজের ১৫ গ্রামের ইন্টেক প্যাকেট । ( শোধন করা আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ পিস বীজ, ১ শতাংশ জমিতে চাষযোগ্য ) + গাইডলাইন+ উপহার

Original price was: ৳ 650.Current price is: ৳ 290.

উচ্চফলনশীল বারোমাসি শিম চাষের উপযুক্ত সময় ও সঠিক চাষ পদ্ধতি

স্বল্প পরিশ্রমে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচুর ফলন পেতে চান? তাহলে এই জাতের বারোমাসি শিম হতে পারে আপনার অন্যতম সেরা পছন্দ। সঠিক সময়ে বীজ বপন, উপযুক্ত জমি নির্বাচন, সঠিক পরিচর্যা এবং পরিকল্পিত সার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি গাছ থেকেই দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ ফলন পাওয়া সম্ভব

বাংলাদেশে শিম একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর সবজি। এতে রয়েছে প্রচুর উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান। কচি শিমের পাশাপাশি এর বীজও সবজি হিসেবে অত্যন্ত সুস্বাদু। শিম শুধু জমিতেই নয়, রাস্তার ধারে, আইলে, বাড়ির আঙিনায়, গাছে, এমনকি ছাদবাগানের টব বা ড্রামেও সফলভাবে চাষ করা যায়।

আমাদের দেশে শিমের ৫০টিরও বেশি স্থানীয় জাত রয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতও কৃষকদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই  শিম তেমনই একটি উচ্চফলনশীল ও দীর্ঘমেয়াদি ফলনশীল জাত, যার চাষ পদ্ধতি ও পরিচর্যায় কিছু বিশেষ বিষয় অনুসরণ করলে অধিক ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব।

🌿 বীজ বপনের উপযুক্ত সময়

বাংলাদেশের আবহাওয়া বিবেচনায় এই শিম বপনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো:

📅 ১৫ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর

এই সময়ে বপন করলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, রোগবালাই তুলনামূলক কম হয় এবং ফলনও বেশি পাওয়া যায়।

🌱 প্রতি শতাংশে বীজের পরিমাণ ১৫ গ্রাম । [ ৩০ থেকে ৩৫ পিস বীজ ]

আমাদের থেকে কেন পণ্য নিবেন ?

  • Done পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
  • Done সঠিক পণ্য না পেলে রিটার্ন করে দিবেন
  • Done সঠিক সময়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হোমডেলিভারি

উচ্চফলনশীল বারোমাসি শিম চাষের উপযুক্ত সময় ও সঠিক চাষ পদ্ধতি

স্বল্প পরিশ্রমে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচুর ফলন পেতে চান? তাহলে এই জাতের বারোমাসি শিম হতে পারে আপনার অন্যতম সেরা পছন্দ। সঠিক সময়ে বীজ বপন, উপযুক্ত জমি নির্বাচন, সঠিক পরিচর্যা এবং পরিকল্পিত সার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি গাছ থেকেই দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ ফলন পাওয়া সম্ভব

বাংলাদেশে শিম একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর সবজি। এতে রয়েছে প্রচুর উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান। কচি শিমের পাশাপাশি এর বীজও সবজি হিসেবে অত্যন্ত সুস্বাদু। শিম শুধু জমিতেই নয়, রাস্তার ধারে, আইলে, বাড়ির আঙিনায়, গাছে, এমনকি ছাদবাগানের টব বা ড্রামেও সফলভাবে চাষ করা যায়।

আমাদের দেশে শিমের ৫০টিরও বেশি স্থানীয় জাত রয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক উচ্চফলনশীল বিভিন্ন জাতও কৃষকদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই  শিম তেমনই একটি উচ্চফলনশীল ও দীর্ঘমেয়াদি ফলনশীল জাত, যার চাষ পদ্ধতি ও পরিচর্যায় কিছু বিশেষ বিষয় অনুসরণ করলে অধিক ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব।

🌿 বীজ বপনের উপযুক্ত সময়

বাংলাদেশের আবহাওয়া বিবেচনায় এই শিম বপনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো:

📅 ১৫ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর

এই সময়ে বপন করলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, রোগবালাই তুলনামূলক কম হয় এবং ফলনও বেশি পাওয়া যায়।

🌱 প্রতি শতাংশে বীজের পরিমাণ ১৫ গ্রাম । [ ৩০ থেকে ৩৫ পিস বীজ ]

🌱 জমি প্রস্তুতি

সুস্থ ও অধিক ফলনের জন্য প্রথমেই জমি ভালোভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

✔ জমি ৩–৪ বার চাষ দিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।✔ সব ধরনের আগাছা ও আগের ফসলের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করতে হবে।✔ পানি যেন কখনো জমে না থাকে, সে জন্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।✔ জমি তৈরির সময় প্রতি শতকে প্রয়োগ করুন—প্রায় ১.৫ কেজি পচা গোবর বা ভার্মি কম্পোস্ট,২০ গ্রাম জিপসাম, ২০ গ্রাম বোরিক অ্যাসিড সব উপাদান ভালোভাবে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে তারপর মাদা তৈরি করুন।

🪴 মাদা প্রস্তুতি

শিমের ভালো ফলনের অন্যতম শর্ত হলো সঠিক আকারের মাদা তৈরি করা।

মাদার পরিমাপ: এক মাদা থেকে অন্য মাদার দূরত্ব: ৬ ফুট (প্রায় ৪ হাত) ;সারি থেকে সারির দূরত্ব: ৭.৫ ফুট (প্রায় ৫ হাত) ;প্রতিটি মাদার আকার দৈর্ঘ্য: ১.৫ ফুট ; প্রস্থ: ১.৫ ফুট ; গভীরতা: ১.৫ ফুট. মাদা অবশ্যই আশপাশের জমি থেকে কমপক্ষে ১.৫ ফুট উঁচু করে তৈরি করতে হবে, যাতে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি জমে না থাকে।

মাদায় সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা : বীজ বপনের ৫–৭ দিন আগে প্রতিটি মাদায় জৈব সার ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। প্রচলিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী প্রতিটি  মাদায় ব্যবহার করা যেতে পারে— ফিপ্রোনিল গ্রুপের দানাদার বালাইনাশক (যেমন: গুলি, ফিলবার্ট বা রিজেন্ট) অথবা কেডুসাফস গ্রুপের দানাদার বালাইনাশক (যেমন: রাগবি) এর যে কোনোটির ১০ গ্রাম  এর সঙ্গে ১০ গ্রাম বায়োডার্মা (Trichoderma-ভিত্তিক জৈব ছত্রাক দমনকারী) মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে দিন।এরপর মাদায় হালকা পানি ছিটিয়ে ৫–৭ দিন রেখে দিন।

গুরুত্বপূর্ণ: বালাইনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই পণ্যের লেবেলে উল্লেখিত নির্দেশনা এবং স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুসরণ করুন।

🌾 বীজ শোধন

সুস্থ চারা উৎপাদনের জন্য বীজ শোধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শোধনের নিয়ম: ✔ প্রথমে বীজ ২ ঘণ্টা রোদে রাখুন।✔ এরপর ১ ঘণ্টা ছায়ায় রেখে স্বাভাবিক তাপমাত্রায়     ঠান্ডা করুন।✔ এরপর কার্বোক্সিন + থিরাম সমন্বিত বীজ শোধক (যেমন: Provax) প্রতি কেজি বীজে ৩ গ্রাম হারে ব্যবহার করুন।✔ অল্প পরিমাণ পরিষ্কার পানি দিয়ে ওষুধটি এমনভাবে মিশিয়ে নিন যাতে প্রতিটি বীজের গায়ে সমানভাবে লেগে থাকে।✔ এরপর বীজ সরাসরি মাদায় বপন করুন।

⚠️ বিশেষ নির্দেশনা

✅ যারা The Art of Gardening থেকে এই  শিমের বীজ সংগ্রহ করেছেন, তাদের পুনরায় বীজ শোধনের প্রয়োজন নেই। আমাদের সরবরাহকৃত বীজ মানসম্মতভাবে শোধন ও প্রক্রিয়াজাত করে প্যাকেটজাত করা হয়।

এই শিমের বীজ কখনোই পানিতে ভিজিয়ে বপন করবেন না। এতে অঙ্কুরোদ্গম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বীজ পচে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বীজ সবসময় শুকনো অবস্থায় সরাসরি প্রস্তুত মাদায় বপন করুন।

🌿 চারা পরিচর্যা

বীজ বপনের পর সাধারণত ৪–৭ দিনের মধ্যে অঙ্কুরোদ্গম হয়। চারা গজানোর পর থেকেই নিয়মিত পরিচর্যা শুরু করতে হবে।

চারায় চারটি সত্যিকারের পাতা বের হলে গাছের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে রোগ ও পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য অনুমোদিত বালাই ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করুন। সবসময় আক্রান্ত গাছ বা পাতা দ্রুত অপসারণ করুন এবং প্রয়োজন ছাড়া কোনো বালাইনাশক ব্যবহার করবেন না।

🎋 মাচা (বাউনি) তৈরির সঠিক নিয়ম

এই শিম একটি লতানো ফসল। তাই গাছের সঠিক বৃদ্ধি ও অধিক ফলনের জন্য মজবুত মাচা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মাচা তৈরির নিয়ম:✔ মাচার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট (ম্যান হাইট) বা তার বেশি হওয়া উত্তম।✔ বাঁশ, জিআই তার বা শক্ত দড়ি ব্যবহার করে মাচা তৈরি করা যায়।✔ সুতা বা দড়ি দিয়ে জাল তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিটি ছিদ্র × ৮ ইঞ্চি রাখলে লতা সুন্দরভাবে ছড়িয়ে পড়ে।✔ গাছ মাচায় উঠতে শুরু করলে শাখাগুলো আলতোভাবে চারদিকে ছড়িয়ে দিন।✔ একটি শাখার ওপর আরেকটি শাখা জড়িয়ে যেতে দেবেন না। এতে আলো ও বাতাস চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় এবং রোগের ঝুঁকি বাড়ে।✔ অতিরিক্ত পুরোনো, শুকনো ও রোগাক্রান্ত পাতা নিয়মিত অপসারণ করুন। এতে গাছ ঝোপালো না হয়ে নতুন ডাল, ফুল ও ফল উৎপাদনে বেশি শক্তি ব্যয় করতে পারে। বীজ বপনের ৩০ দিনের মাথা শিমের লতা গুলো বাড়তে থাকে। ম্যান হাইট মাচায় সুবিধাজনক ভাবে শিমের লতা গুলো ছড়িয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে একটা আর এক টার সাথে পেচিয়ে না যায়। মোটামুটি ৩৫ দিনের মাথায় গাছে ফুল চলে আসবে। কিন্ত ফুল টিকবে না।  ৩৫ দিনে ফুল আসবে, ৪৫ দিনে দিনে ফুল আসবে,  কিন্ত ফুল ঝড়ে যাবে। এতে কোনো ধরনের সার কিংবা স্প্রে প্রয়োগ করা যাবে না।আমাদের দেশের আবহাওয়ার জন্য এমন হয়। তবে অবশ্যই ৫৫ দিন বয়স থেকে আবার ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে।  কারণ ৫৫ থেকে ৬০ দিন বয়সে গাছের পাতা আবার ঝোপালো হয়ে যাবে। তখন পুরাতন পাতা ভেংগে গাছ পাতলা করে দিতে হবে।  কিন্ত সার তখন ও দেয়া যাবে না। শুধু ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে। ৬৫ দিন পরে গাছে যখন ফুল আসবে তখন গাছে সার ব্যবস্থাপনা করতে হবে

🌼 ফুল আসার আগে ও পরে পরিচর্যা

গাছের বয়স প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ দিন হলে সাধারণত ফুল আসা শুরু করে। এই সময়ে—জমি বা মাদা আগাছামুক্ত রাখুন। মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা বজায় রাখুন। অতিরিক্ত পানি জমতে দেবেন না। মৌমাছি ও অন্যান্য পরাগায়নকারী পোকা যেন সহজে গাছে আসতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

🌿 সার ব্যবস্থাপনা

ফুল আসার সময় গাছের পুষ্টির চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এ সময় সুষম সার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মাদা পরিষ্কার করে নিম্নোক্ত জৈব উপাদান প্রয়োগ করুন—পচা গোবর — ৫ কেজি ; সরিষার খৈল — ১০০ গ্রাম ; কাঠের ছাই — ১ কেজি প্রচলিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী প্রয়োজনে মাদা প্রতি    ফিপ্রোনিল গ্রুপের দানাদার বালাইনাশক (যেমন গুলি, ফিলবার্ট বা রিজেন্ট) অথবা কেডুসাফস গ্রুপের দানাদার বালাইনাশক (যেমন রাগবি) এর যে কোনোটির ১০ গ্রাম  এর সঙ্গে ১০ গ্রাম বায়োডার্মা মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এরপর গাছের গোড়া থেকে প্রায় ১৫ ইঞ্চি দূরে চারদিকে হালকা গোলাকার নালা তৈরি করে প্রয়োগ করুন—টিএসপি — ৫০ গ্রাম ; এমওপি — ২৫ গ্রাম এরপর মাটি দিয়ে ঢেকে হালকা সেচ দিন। প্রতি ৩০ দিন অন্তর গাছের অবস্থা অনুযায়ী একইভাবে সার প্রয়োগ করলে ফলন বৃদ্ধি পায়।

🐞 রোগ ও পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা

সুস্থ গাছই অধিক ফলনের মূল চাবিকাঠি।তাই নিয়মিত গাছ পর্যবেক্ষণ করুন এবং রোগ বা পোকার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

করণীয়-✔ আক্রান্ত পাতা, ডাল বা ফল দ্রুত অপসারণ করুন।✔ বাগান সবসময় পরিষ্কার রাখুন।✔ মাচার ভেতরে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।✔ প্রয়োজনে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক লেবেলের নির্দেশনা অনুযায়ী বা কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শক্রমে ব্যবহার করুন।✔ একই ধরনের বালাইনাশক দীর্ঘদিন ব্যবহার না করে কার্যকরী উপাদান (Active Ingredient) পরিবর্তন করে ব্যবহার করলে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি কমে।

🥒 ফল সংগ্রহ

সাধারণত বীজ বপনের ৫৫–৬৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল সংগ্রহ শুরু করা যায়। অধিক ফলনের জন্য-প্রতি ২–৩ দিন পরপর কচি শিম সংগ্রহ করুন। অতিরিক্ত বড় বা পরিপক্ব শিম গাছে বেশি দিন রেখে দেবেন না। নিয়মিত ফল সংগ্রহ করলে নতুন ফুল ও ফলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

⭐ অধিক ফলনের গোপন কৌশল-✅ মাচা সবসময় পরিষ্কার ও খোলামেলা রাখুন।✅ অতিরিক্ত পুরোনো পাতা নিয়মিত অপসারণ করুন।✅ গাছের গোড়ায় পানি জমতে দেবেন না।✅ সময়মতো সার ও সেচ নিশ্চিত করুন।✅ রোগ বা পোকার প্রাথমিক লক্ষণ দেখামাত্র ব্যবস্থা নিন।✅ নিয়মিত পরিচর্যা করলে কেরালা শিম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ ফলন দিতে সক্ষম।

🌿 রোগ ও পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা

এই শিমের অধিক ফলন নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই গাছকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চারা অবস্থায় পরিচর্যা- বীজ থেকে চারা গজিয়ে চারটি সত্যিকারের পাতা বের হলে প্রতিরোধমূলক ছত্রাক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক (যেমন: Syngenta Jazz) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে সম্পূর্ণ গাছ ভিজে যাওয়া পর্যন্ত স্প্রে করা যেতে পারে। প্রয়োগের আগে অবশ্যই পণ্যের লেবেলে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুসরণ করুন।গাছের নিয়মিত পরিচর্যা-গাছের বয়স প্রায় ১ মাস হলে নিয়মিত গাছ পর্যবেক্ষণ করুন। যদি ছত্রাকজনিত রোগের অনুকূল আবহাওয়া বা প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী—Ridomil Gold প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম, অথবা Mancozeb প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম

লেবেলে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুযায়ী স্প্রে করা যেতে পারে। স্প্রে করার সময় গাছের গোড়া থেকে পাতা পর্যন্ত সমানভাবে ভিজে যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। পোকামাকড় দমন-জাব পোকা, সাদা মাছি, থ্রিপস বা অন্যান্য ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ দেখা দিলে প্রয়োজনে সাইপারমেথ্রিন অথবা ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। একই কার্যকরী উপাদানের ওষুধ বারবার ব্যবহার না করে প্রয়োজনে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করুন, যাতে প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি না হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: রোগ বা পোকার উপস্থিতি নিশ্চিত না হয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক ব্যবহার করবেন না। সবসময় লেবেলের নির্দেশিত মাত্রা, প্রি-হারভেস্ট ইন্টারভ্যাল (PHI) এবং স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুসরণ করুন।

🏡 ছাদবাগানে এই জাতের শিম চাষ

টব নির্বাচন -১৮–২০ ইঞ্চি গভীর এবং ১৫–১৮ ইঞ্চি চওড়া টব বা ড্রাম ব্যবহার করুন। নিচে ২–৩টি ড্রেনেজ ছিদ্র রাখুন। প্লাস্টিক, মাটির বা সিমেন্টের টব ব্যবহার করা যায়।

মাটি প্রস্তুতি: মাটির আদর্শ মিশ্রণ:বাগানের মাটি – ৫০% ; পচা গোবর বা কম্পোস্ট – ৩০% ; কাঠের ছাই – ১০% ; বালু – ১০% প্রতি টবে ৫০ গ্রাম হাড়গুঁড়া বা ডিএপি, বায়োডার্মা এবং প্রয়োজনে অনুমোদিত দানাদার বালাইনাশক মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে ৫–৭ দিন রেখে ব্যবহার করুন।

বীজ বপন: প্রতি টবে ২–৩টি বীজ ২–৩ সেমি গভীরে বপন করুন। অঙ্কুরোদ্গমের পর ১–২টি সুস্থ চারা রেখে বাকিগুলো তুলে ফেলুন।

আলো ও সেচ: প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা সরাসরি সূর্যের আলো নিশ্চিত করুন। নিয়মিত হালকা সেচ দিন, তবে পানি জমতে দেবেন না।

সার ব্যবস্থাপনা: ১৫ দিন পর তরল জৈব সার প্রয়োগ করুন। ফুল আসার সময় টিএসপি ও এমওপি সমপরিমাণে প্রয়োগ করুন। ফল ধরার পর প্রতি ১৫ দিন অন্তর তরল জৈব সার ব্যবহার করুন।

অতিরিক্ত যত্ন: ঝড় বা ভারী বৃষ্টির সময় টব নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখুন। নিয়মিত শুকনো পাতা ও আগাছা পরিষ্কার করুন। প্রতি ২–৩ দিন অন্তর কচি শিম সংগ্রহ করুন, এতে দীর্ঘদিন ফলন পাওয়া যায়।

Prepared By

  1. M. Boni Amin
    Assistant Teacher (Physical Science)
    Recommended Candidate, 17th NTRCA
    Bashati High School, Nandail, Mymensingh, Bangladesh

Founder
The Art of Gardening

A Proud Enterprise Under the Ma Fatiha Group.

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “১০০% অরিজিনাল উচ্চফলনশীল বারোমাসি শিম বীজের ১৫ গ্রামের ইন্টেক প্যাকেট । ( শোধন করা আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ পিস বীজ, ১ শতাংশ জমিতে চাষযোগ্য ) + গাইডলাইন+ উপহার”

Your email address will not be published. Required fields are marked *